প্রিন্ট: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:০৯ এএম
কিংবদন্তি আইয়ুব বাচ্চু গিটারের জাদুতে যিনি প্রজন্মের পর প্রজন্মকে মুগ্ধ করে গেছেন। ‘উত্তরাধিকার’-এ নতুন করে ফিরছে তার কালজয়ী ২০ গান। ছবি: সংগৃহীত
বাংলা ব্যান্ড সংগীতের ইতিহাসে আইয়ুব বাচ্চু শুধু একজন গায়ক, গিটারিস্ট কিংবা সুরকার নন তিনি নিজেই একটি যুগের নাম। গিটারের তারে তিনি যে ভাষা তৈরি করেছিলেন, তা একসময় শহুরে তরুণদের আবেগ, প্রেম, বিচ্ছেদ, একাকিত্ব আর দ্রোহের সঙ্গে মিশে গিয়েছিল। মঞ্চে তার উপস্থিতি যেমন ছিল তীব্র, তেমনি তার গানের ভেতরের আবেগ ছুঁয়ে যেত একেবারে ব্যক্তিগত অনুভূতিকে।
আশির দশক থেকে শুরু করে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত দীর্ঘ সংগীতযাত্রায় আইয়ুব বাচ্চু বাংলা ব্যান্ড সংগীতকে দিয়েছেন এক স্বতন্ত্র পরিচয়। তার কণ্ঠের ভার, গিটারের ঝংকার আর সুরের বৈচিত্র্য তাকে পরিণত করেছে প্রজন্মের পর প্রজন্মের প্রিয় শিল্পীতে। তিনি নেই, কিন্তু তার গান থেমে নেই। বরং সময় যত গড়াচ্ছে, নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের হাত ধরে তার গান নতুন করে ফিরে আসছে।
সেই ধারাবাহিকতায় এবার আইয়ুব বাচ্চুর কালজয়ী ২০ গান নিয়ে প্রকাশিত হচ্ছে বিশেষ অ্যালবাম ‘উত্তরাধিকার’। কিংবদন্তির গানগুলোকে নতুন প্রজন্মের শ্রোতার কাছে নতুন সংগীতায়োজনে পৌঁছে দেওয়ার এই উদ্যোগ একই সঙ্গে স্মরণ, শ্রদ্ধা এবং উত্তরাধিকার বহনের এক অভিনব প্রয়াস।
জন্মদিনে বিশেষ আয়োজন
আইয়ুব বাচ্চুর জন্মদিন উপলক্ষে প্রকাশ করা হবে ‘উত্তরাধিকার’। অ্যালবামটিতে তার আলোড়ন সৃষ্টি করা ২০টি গান নতুন সংগীতায়োজনে পরিবেশন করেছেন সময়ের আলোচিত আটটি ব্যান্ড ও ১২ জন কণ্ঠশিল্পী।
ব্যান্ডগুলোর মধ্যে রয়েছে দলছুট, আরবোভাইরাস, সোনার বাংলা সার্কাস, শুভযাত্রা, ক্যালিপসো, রকসল্ট, ডোপামিন ও এ কে রাহুল। একক শিল্পীদের মধ্যে রয়েছেন বাবনা করিম, রাসেল আলী, রোমেল আলী, চন্দন জামান আলী-মেনন, কানিজ সুবর্ণা, সাজ্জাদ, পলাশ, জয় শাহরিয়ার, অদিত, বখতিয়ার হোসেন, আতিকা ইয়ামিন ও অটামনাল মুন।
অ্যালবামের সবগুলো গানের মাস্টারিং করেছেন ইকবাল আসিফ জুয়েল।
অর্থাৎ ‘উত্তরাধিকার’ কেবল পুরোনো গান নতুন করে গাওয়ার আয়োজন নয়; এটি এক ধরনের প্রজন্মান্তরের সংগীত-সেতু। একদিকে আইয়ুব বাচ্চুর সৃষ্টির মূল আবেগ, অন্যদিকে বর্তমান সময়ের শিল্পীদের নিজস্ব সংগীতভাষা দুইয়ের মিলনেই তৈরি হচ্ছে এই আয়োজন।
যে গানগুলো কখনো পুরোনো হয় না
আইয়ুব বাচ্চুর গান নিয়ে কথা বলতে গেলে শুধু জনপ্রিয়তার হিসাব দিয়ে তাকে বোঝা যায় না। তার গান শ্রোতার জীবনের সঙ্গে মিশে গেছে। কারও কাছে তা প্রথম প্রেমের স্মৃতি, কারও কাছে বিচ্ছেদের রাত, কারও কাছে বন্ধুত্বের আড্ডা, আবার কারও কাছে নিজের ভেতরের অস্থিরতার ভাষা।
‘চলো বদলে যাই’-এর মতো গান যেমন পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষাকে সামনে আনে, তেমনি তার অসংখ্য প্রেমের গান শ্রোতাকে নিয়ে যায় ব্যক্তিগত স্মৃতির জগতে। আবার তার রকঘরানার গানগুলো মঞ্চে তৈরি করেছে এক অন্যরকম উত্তাপ।
এই কারণেই বাচ্চুর গান নতুন করে গাওয়া মানে শুধু সুর ও কথার পুনরাবৃত্তি নয়। প্রতিটি শিল্পীকে নিজের সময়, নিজের অভিজ্ঞতা এবং নিজের সংগীতবোধের মধ্য দিয়ে গানগুলোকে নতুন করে আবিষ্কার করতে হয়। ‘উত্তরাধিকার’-এর মূল আকর্ষণও সেখানেই।
পুরোনো গানের নতুন ব্যাখ্যা
একটি কিংবদন্তি গান যখন নতুন শিল্পীর কণ্ঠে ফিরে আসে, তখন সেটি একই সঙ্গে পরিচিত এবং নতুন হয়ে ওঠে। পরিচিত থাকে মূল সুর, কথা ও আবেগ; কিন্তু বদলে যায় উপস্থাপনের ধরন।
‘উত্তরাধিকার’-এ সেই পরিবর্তনই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আটটি ব্যান্ড এবং ১২ জন শিল্পী নিজেদের সংগীতভাষায় আইয়ুব বাচ্চুর গানগুলোকে নতুন করে সাজিয়েছেন। ফলে শ্রোতারা এক অ্যালবামের মধ্যেই শুনতে পাবেন বাংলা ব্যান্ডের একাধিক প্রজন্ম ও ধারার শিল্পীদের ভিন্ন ভিন্ন ব্যাখ্যা।
এখানে যেমন থাকবে দলছুটের অভিজ্ঞতা, তেমনি থাকবে আরবোভাইরাসের রকভিত্তিক স্বর। সোনার বাংলা সার্কাসের নিজস্ব সংগীত-ভাবনা, রকসল্টের তরুণ শক্তি কিংবা এ কে রাহুলের গিটারনির্ভর পরিবেশনা সব মিলিয়ে বাচ্চুর গানগুলো নতুন এক শ্রুতিময় যাত্রায় পা রাখবে।

ছবি: শাহরিয়ার কবির হিমেল
দলছুট: অভিজ্ঞতার সঙ্গে উত্তরাধিকার
বাংলা ব্যান্ডের দীর্ঘ ইতিহাসে দলছুট নিজেই একটি গুরুত্বপূর্ণ নাম। বাপ্পা মজুমদার ও প্রয়াত সঞ্জীব চৌধুরীর হাত ধরে ১৯৯৬ সালে গড়ে ওঠা এই ব্যান্ড পরবর্তী সময়ে বাংলা গানের নিজস্ব একটি সাউন্ড তৈরি করে।
দলছুটের অংশগ্রহণ তাই ‘উত্তরাধিকার’-এ আলাদা মাত্রা যোগ করে। কারণ বাচ্চুর সময়ের সংগীতযাত্রার সঙ্গে দলছুটের পথচলাও অনেকটা সমান্তরাল। নব্বইয়ের দশকের বাংলা ব্যান্ডের যে উন্মাদনা, তার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল দলছুট।
বাচ্চুর গান নতুন করে পরিবেশনের মাধ্যমে দলছুট যেন সেই সময়ের সঙ্গে বর্তমান সময়েরও একটি যোগসূত্র তৈরি করছে।

আইয়ুব বাচ্চুর ‘উত্তরাধিকার’ অ্যালবামে অংশ নেওয়া ব্যান্ডগুলোর একটি দলছুট।ছবি: দলছুটের সৌজন্যে
আরবোভাইরাস: রকের নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি
বাংলাদেশের আধুনিক রক দৃশ্যে আরবোভাইরাস দীর্ঘদিন ধরেই পরিচিত নাম। ব্যান্ডটির সংগীতের মধ্যে রকের শক্তি, পরীক্ষাধর্মী ভাবনা এবং আধুনিক উপস্থাপনার ছাপ রয়েছে।
আইয়ুব বাচ্চুর মতো একজন রক কিংবদন্তির গান তাদের হাতে নতুন সংগীতায়োজন পাওয়াটা তাই বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। বাচ্চুর তৈরি রক সংগীতের উত্তরাধিকার কীভাবে পরবর্তী প্রজন্মের কাছে পৌঁছেছে, আরবোভাইরাসের অংশগ্রহণ সেই গল্পেরই একটি অধ্যায়।

‘উত্তরাধিকার’-এ আইয়ুব বাচ্চুর গান নতুন সংগীতায়োজনে পরিবেশন করবে আরবোভাইরাস। ছবি: সংগৃহীত
সোনার বাংলা সার্কাস: অন্যরকম সংগীতভাষা
বাংলাদেশের বিকল্প ধারার সংগীতে সোনার বাংলা সার্কাস নিজেদের আলাদা জায়গা তৈরি করেছে। তাদের সংগীতচিন্তায় রক, সাইকেডেলিক আবহ ও পরীক্ষাধর্মী উপস্থাপনার প্রভাব রয়েছে।
আইয়ুব বাচ্চুর বহুল পরিচিত গান যখন এমন একটি ব্যান্ডের হাতে নতুন করে সাজে, তখন মূল গানটির পরিচিত কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত হয় ভিন্ন এক সংগীত-অনুভূতি। ‘উত্তরাধিকার’-এর বৈচিত্র্যের জায়গাটি এখানেই।

আইয়ুব বাচ্চুর কালজয়ী গানে নতুন প্রজন্মের সংগীতভাষা নিয়ে হাজির সোনার বাংলা সার্কাস। ছবি: সংগৃহীত।
শুভযাত্রা ও ক্যালিপসো: আরও দুই স্বর
অ্যালবামে রয়েছে শুভযাত্রা ও ক্যালিপসোর পরিবেশনাও। তুলনামূলকভাবে নতুন প্রজন্মের শ্রোতাদের কাছে পরিচিত এই ব্যান্ডগুলোর অংশগ্রহণ প্রমাণ করে আইয়ুব বাচ্চুর গান কেবল তার সময়ের শ্রোতার সম্পদ নয়।
সময়ের সঙ্গে শিল্পী বদলেছে, শ্রোতার রুচি বদলেছে, সংগীতের প্রযুক্তি বদলেছে। কিন্তু বাচ্চুর গানের আবেদন থেকে গেছে একই জায়গায়। নতুন ব্যান্ডগুলো সেই আবেদনকে নিজেদের সংগীত-অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে তুলে ধরবে।

ব্যান্ড শুভযাত্রা। ছবি: সংগৃহীত

ব্যান্ড ক্যালিপসো। ছবি: সংগৃহীত
রকসল্ট: নতুনদের হাতে বাচ্চুর রক
‘দ্য কেইজ’ রিয়েলিটি শো থেকে উঠে আসা রকসল্ট বাংলাদেশের তরুণ রকসংগীতের অন্যতম নতুন মুখ। অল্প সময়ের মধ্যেই নিজেদের মৌলিক গান ও পরিবেশনার মাধ্যমে তারা শ্রোতাদের নজরে এসেছে।
আইয়ুব বাচ্চুর গান তাদের হাতে নতুন করে শোনা তাই প্রতীকীও। যে শিল্পী একসময় বাংলাদেশের তরুণদের হাতে গিটার তুলে দিয়েছিলেন, তার গানই এখন নতুন তরুণদের হাতে ফিরে আসছে।
এ যেন গিটার থেকে গিটারে, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে এক সংগীত-বার্তা পৌঁছে দেওয়া।

তরুণ রক ব্যান্ড রকসল্টও থাকছে আইয়ুব বাচ্চুর গান নিয়ে বিশেষ অ্যালবাম ‘উত্তরাধিকার’-এ। ছবি: সংগৃহীত।
ডোপামিন ও এ কে রাহুল
‘উত্তরাধিকার’-এর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো ডোপামিন ও এ কে রাহুলের অংশগ্রহণ। ডোপামিন তরুণ রক মিউজিশিয়ানদের নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধিত্ব করছে। অন্যদিকে এ কে রাহুল দীর্ঘদিনের গিটারচর্চা ও বিভিন্ন ব্যান্ডের সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে নিজের স্বতন্ত্র সংগীতভাষা তৈরি করেছেন।
রাহুলের মতো গিটারকেন্দ্রিক একজন শিল্পীর বাচ্চুর গান পরিবেশন বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ আইয়ুব বাচ্চুর সংগীত-পরিচয়ের অন্যতম প্রধান স্তম্ভই ছিল তার গিটার।

ব্যান্ড ডোপামিন। ছবি: সংগৃহীত
-6a841bf524076.jpg)
এ কে রাহুল। ছবি: সংগৃহীত
শুধু গান নয়, স্মৃতিও সংরক্ষণ
‘উত্তরাধিকার’-এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হয়তো এখানেই এই আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত হচ্ছে আইয়ুব বাচ্চুর স্মৃতি সংরক্ষণের একটি বড় স্বপ্ন।
অ্যালবামটি ডাবল সিডির পাশাপাশি বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রকাশ করা হবে। অ্যালবাম থেকে পাওয়া অর্থ ব্যয় করা হবে ‘আইয়ুব বাচ্চু মিউজিয়াম’ তৈরির তহবিলে।
অর্থাৎ শ্রোতা শুধু একটি অ্যালবাম শুনবেন না, একই সঙ্গে কিংবদন্তির স্মৃতি সংরক্ষণের একটি উদ্যোগের অংশও হয়ে উঠবেন।
আইয়ুব বাচ্চুর ব্যবহৃত গিটার, পোশাক এবং অন্যান্য স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণের যে স্বপ্ন, এই উদ্যোগ সেটিকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিতে পারে।

আইয়ুব বাচ্চুর। ছবি: শাহরিয়ার কবির হিমেল
একটি গিটার, অসংখ্য স্মৃতি
বাংলাদেশের সংগীত ইতিহাসে আইয়ুব বাচ্চুর গিটারের অবস্থান আলাদা। তিনি গিটারকে শুধু একটি বাদ্যযন্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেননি; এটিকে পরিণত করেছিলেন নিজের সংগীত পরিচয়ের অবিচ্ছেদ্য অংশে।
তার বাজানো গিটারের সাউন্ড শুনেই অনেক শ্রোতা গান চিনতে পারতেন। তার সলো ছিল আলাদা, রিফ ছিল আলাদা, মঞ্চে গিটার ধরার ভঙ্গিটিও ছিল আলাদা।
আজ সেই গিটার নেই মঞ্চে। কিন্তু তার প্রভাব আছে অসংখ্য তরুণ গিটারিস্টের হাতে।
‘উত্তরাধিকার’ সেই প্রভাবেরই আরেকটি দৃশ্যমান উদাহরণ।
বাচ্চু নেই, গান আছে
২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর আইয়ুব বাচ্চুর মৃত্যুর পর বাংলা সংগীতের ভক্তদের কাছে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল—তার গান, তার সৃষ্টির উত্তরাধিকার কীভাবে বেঁচে থাকবে?
সময়ের সঙ্গে সেই উত্তরটা ধীরে ধীরে তৈরি হয়েছে। তার গান সংরক্ষণের উদ্যোগ হয়েছে, নতুন শিল্পীরা তার গান গেয়েছেন, তার গিটার নিয়ে নতুন প্রজন্মের আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এমনকি তার অপ্রকাশিত গান ও স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণের উদ্যোগও এগিয়েছে।
আর ‘উত্তরাধিকার’ সেই ধারারই একটি নতুন অধ্যায়।
প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে
কোনো শিল্পীর সবচেয়ে বড় সাফল্য হয়তো তখনই, যখন তার অনুপস্থিতিতেও তার সৃষ্টি নতুন মানুষকে অনুপ্রাণিত করতে থাকে।
আইয়ুব বাচ্চুর ক্ষেত্রে সেটিই ঘটছে।
যে মানুষটি একসময় মঞ্চে দাঁড়িয়ে গিটার হাতে বলেছিলেন নিজের কথা, তার গান আজ অন্য শিল্পীরা গাইছেন। যে সুর একসময় ক্যাসেট, সিডি আর কনসার্টের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল, সেটিই এখন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে নতুন শ্রোতার কাছে পৌঁছাচ্ছে।
তাই ‘উত্তরাধিকার’ নামটি শুধু একটি অ্যালবামের নাম নয়। এটি আসলে একটি দায়িত্বের নাম এক প্রজন্মের কাছ থেকে আরেক প্রজন্মের হাতে সংগীতের আলো পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্ব।
আইয়ুব বাচ্চু চলে গেছেন। কিন্তু তার গিটার থামেনি। তার গান থামেনি। আর যতদিন নতুন কোনো গিটারিস্ট তার সুরে আঙুল রাখবেন, যতদিন কোনো তরুণ কণ্ঠে তার গান ফিরে আসবে, ততদিন বাচ্চুর উত্তরাধিকারও বেঁচে থাকবে।
উত্তরাধিকার’ তাই শুধু ২০টি গানের অ্যালবাম নয়; এটি আইয়ুব বাচ্চুকে নতুন করে আবিষ্কারের ২০টি দরজা।
