Logo
Logo
×

খবর ।  সরকার

নীতিমালা মেনে ঢাকায় চলবে অটোরিকশা

বাংলাবাজার প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০৬ অক্টোবর ২০২৬। ০২:১৮ পিএম

আপডেট: ০৬ অক্টোবর ২০২৬। ১৪:২৪ পিএম

নীতিমালা মেনে ঢাকায় চলবে অটোরিকশা

ঢাকা শহরে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল একটি নির্দিষ্ট নীতিমালার আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রধান সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে এসব যান চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

এ বিষয়ে নীতিমালা তৈরির কাজ চলছে এবং শিগগিরই সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে জানিয়েছেন সড়ক, রেলপথ ও নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডি লেকের খনন ও উন্নয়নকাজের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

সড়কমন্ত্রী বলেন, ঢাকায় অটোরিকশার অনিয়ন্ত্রিত চলাচলের কারণে নগরের স্বাভাবিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ পরিস্থিতি নিয়ে সরকার উদ্বিগ্ন এবং একটি সুনির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান করতে চায়।

তবে অটোরিকশাচালকদের জীবিকার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরে অনেকে এই পেশার সঙ্গে যুক্ত থাকায় হঠাৎ কোনো সিদ্ধান্তে তাদের ক্ষতিগ্রস্ত না করে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেন মন্ত্রী।

তাঁর ভাষ্য, বৃহত্তর নগরস্বার্থ বিবেচনায় অটোরিকশার বর্তমান অব্যবস্থাপনা দূর করতে হবে। একটি নীতিমালা ও নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে চলাচল নিয়ন্ত্রণ করা হবে। কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থে ঢাকা শহরকে অকার্যকর হতে দেওয়া হবে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে রাজনৈতিক এক প্রশ্নের জবাবে জামায়াতে ইসলামীর অবস্থান নিয়েও মন্তব্য করেন শেখ রবিউল আলম। তাঁর মতে, দলটি বিভিন্ন সময়ে দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা ও নাগরিকদের প্রত্যাশা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছে।

এদিকে ধানমন্ডি লেকের উন্নয়ন নিয়ে মন্ত্রী জানান, দীর্ঘদিনের প্রত্যাশার অংশ হিসেবে লেকের পলি উত্তোলন ও অপসারণ শুরু হয়েছে। প্রায় ১ লাখ ৬৫ হাজার ঘনমিটার পলি সরাতে হবে। প্রতিদিন প্রায় ৭০০ ঘনমিটার পলি অপসারণের লক্ষ্য রয়েছে।

লেকের সার্বিক উন্নয়নে দুটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। বিস্তারিত নকশার ভিত্তিতে পরিবেশ ও অবকাঠামো উন্নয়নের পাশাপাশি লাইব্রেরি, জিম, ক্যাফে ও নজরুল মঞ্চসহ বিভিন্ন নাগরিক সুবিধা যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

ওয়াকওয়ে নতুনভাবে সাজানো, সবুজায়ন এবং অবসর ও বিনোদনের উপযোগী পরিবেশ তৈরির পরিকল্পনাও রয়েছে।

লেকের পলি অপসারণ ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের কাজ শেষ করতে প্রায় আড়াই বছর সময় রাখা হয়েছে। উন্নয়নের পাশাপাশি নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন মন্ত্রী। লেকে বর্জ্য না ফেলে পরিবেশ রক্ষায় নাগরিকদের দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

যেকোনো বিষয়ে লিখতে বা বলতে চাইলে লেখা, ছবি, ভিডিও পাঠিয়ে দিন বাংলাবাজার ডাকবাক্সে