যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যখন ইরানের ওপর হামলা শুরু করল তখন তেহরান পাল্টা হামলার পাশাপাশি কৌশল হিসেবে হরমুজ প্রণালী একরকম বন্ধ করে দেয়।
সেসময় অনেক বিশ্লেষক বলেছিলেন, এভাবে চললে অপরিশোধিত তেলের দাম ১৫০-২০০ ডলারে উঠতে পারে। বিশ্বের শীর্ষ তেল আমদানিকারক চীন পরিস্থিতি বুঝে তাদের জ্বালানি আমদানি ও ভোগ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে দেয়।
অন্যদিকে, প্রধান উৎপাদক যুক্তরাষ্ট্র রেকর্ড পরিমাণ তেল উত্তোলন করে এবং জরুরি রিজার্ভ থেকে বাজারে বিপুল সরবরাহ নিশ্চিত করে।
সৌদি আরব বিকল্প বন্দর ব্যবহার করে তেল সরবরাহ অব্যাহত রাখে, এবং জুনে হরমুজ প্রণালী দিয়েও সাময়িক কিছু জাহাজ চলাচলেরর সুযোগ দেওয়া হয়।
ফলে বাজারে তেলের পর্যাপ্ত জোগান থাকে এবং দীর্ঘমেয়াদি অনিশ্চয়তার ভয়ে ব্যবসায়ীরা বড় অঙ্কের বাজি ধরা থেকে বিরত থাকেন।
মূলত মূলধন সংকট, বাজারের ভয় এবং জোগান স্বাভাবিক থাকার সম্মিলিত প্রভাবেই বিশ্ববাজারে তেলের দর আকাশছোঁয়া হয়নি।