Logo
Logo
×

অর্থনীতি ।  অর্থ ও ব্যাংকিং

সপ্তাহের শুরুতে শেয়ারবাজার, ডলার, সোনা ও নিত্যপণ্যের দামের যে অবস্থা

বাংলাবাজার প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬। ০২:৩৭ পিএম

আপডেট: ০৪ অক্টোবর ২০২৬। ১৬:২৯ পিএম

সপ্তাহের শুরুতে শেয়ারবাজার, ডলার, সোনা ও নিত্যপণ্যের দামের যে অবস্থা

বাজার পরিস্থিতি। ছবি: বাংলাবাজার ক্রিয়েটিভ

অক্টোবরের প্রথম সপ্তাহ শুরু হয়েছে শেয়ারবাজারের নিম্নমুখী সূচক, কিছুটা শক্তিশালী ডলার, প্রায় ১২ শতাংশ গড় ঋণসুদ এবং ঊর্ধ্বমুখী সোনার দাম নিয়ে। একই সঙ্গে নিত্যপণ্যের বাজারেও বাড়তি দামের চাপ রয়েছে।

গত সপ্তাহের শেষ কার্যদিবস বৃহস্পতিবার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১৮ দশমিক ৭৩ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫৩২ পয়েন্টে দাঁড়ায়। ডিএসইএস সূচক ২ দশমিক ২৩ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ১০০ এবং ডিএস-৩০ সূচক ৪ দশমিক ৮৯ পয়েন্ট কমে ২ হাজার ১০৪ পয়েন্টে নেমে আসে।

ওই দিন ডিএসইতে প্রায় ৭২৩ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়। রবিবার এসব অবস্থান থেকেই নতুন সপ্তাহের লেনদেন শুরু হচ্ছে।

বিদেশি মুদ্রার বাজারে ডলারের দাম সামান্য বেড়েছে। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার মার্কিন ডলার ১২৩ টাকা থেকে ১২৩ টাকা ২২ পয়সার মধ্যে লেনদেন হয়েছে।

আগের দিনের তুলনায় ব্রিটিশ পাউন্ড, চীনা ইউয়ান ও সিঙ্গাপুরি ডলারের দরও বেড়েছে। অন্যদিকে ইউরো ও অস্ট্রেলীয় ডলারের দাম কমেছে। ভারতীয় রুপি ও জাপানি ইয়েনের দর প্রায় অপরিবর্তিত ছিল।

তবে ব্যাংক ও খোলাবাজারে বৈদেশিক মুদ্রার দাম কিছুটা ভিন্ন হতে পারে।

ব্যাংক খাতে ঋণের ওপর গড় সুদহার বর্তমানে ১১ দশমিক ৯২ শতাংশ। আমানতের গড় সুদহার ৬ দশমিক ২২ শতাংশ।

তবে ব্যাংক ও স্কিমভেদে সুদের হারে পার্থক্য রয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি স্থায়ী আমানতে অনেক ব্যাংক ১০ শতাংশের বেশি সুদ দিচ্ছে। অন্যদিকে ব্যক্তিগত ও শিল্পঋণের সুদহার কোনো কোনো ক্ষেত্রে ১৩ থেকে ১৪ শতাংশ পর্যন্ত উঠছে।

সোনার বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা রয়েছে। সর্বশেষ বুধবার প্রতি ভরি সোনার দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়ানো হয়। এতে ২২ ক্যারেটের এক ভরি ভালো মানের সোনার দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা।

নিত্যপণ্যের বাজারেও বাড়তি চাপ রয়েছে। গত ২০ সেপ্টেম্বর ডিজেল, পেট্রল ও অকটেনের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ানোর পর পরিবহনসহ বিভিন্ন খাতে ব্যয় বেড়েছে।

বাজারে ব্রয়লার মুরগির কেজি প্রায় ২০০ টাকা। ফার্মের বাদামি ডিম বিক্রি হচ্ছে ডজনপ্রতি ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়। কোথাও কোথাও দাম আরও কিছুটা বেশি।

অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ আরেক সূচক নীতি সুদহার সাড়ে ৯ শতাংশে অপরিবর্তিত রেখেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর মেয়াদের ত্রৈমাসিক মুদ্রানীতিতে এ হার পরিবর্তন করা হয়নি।

সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ থেকে ৩৯৪ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। একই মাসে দেশে এসেছে ২৭৭ কোটি ডলারের প্রবাসী আয়। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় দুই ক্ষেত্রেই প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে গত সপ্তাহ শেষে জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০২ ডলারে অবস্থান করছে।

চলতি সপ্তাহে সেপ্টেম্বর মাসের মূল্যস্ফীতির তথ্য প্রকাশ হতে পারে। আগস্টে দেশে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ২৬ শতাংশ। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার পর সেপ্টেম্বরে মূল্যস্ফীতির চিত্র কী দাঁড়ায়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে।

যেকোনো বিষয়ে লিখতে বা বলতে চাইলে লেখা, ছবি, ভিডিও পাঠিয়ে দিন বাংলাবাজার ডাকবাক্সে