দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও আটজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ৪৩ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন ১ হাজার ২০ জন। আর পরীক্ষায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১০২ জনের। সব মিলিয়ে হাম ও এর উপসর্গে মোট প্রাণহানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ১২২ জনে।
শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বুলেটিনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
বিভাগগুলোর মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু হয়েছে ঢাকায়। এ বিভাগে এখন পর্যন্ত ৪৬৩ জন মারা গেছেন। এরপর সিলেট বিভাগে মৃত্যু হয়েছে ১৭৯ জনের।
এ ছাড়া রাজশাহীতে ৯৩, চট্টগ্রামে ৮৬, ময়মনসিংহে ৮০, বরিশালে ৬০, খুলনায় ৪৪ এবং রংপুর বিভাগে ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে।
গত এক দিনে দেশের বিভিন্ন স্থানে হামের উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ১৩ জন হাসপাতালে এসেছেন। তাঁদের মধ্যে ১ হাজার ৩ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
নতুন ভর্তি রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে সর্বোচ্চ ২৯৯ জন রয়েছেন। চট্টগ্রামে ভর্তি হয়েছেন ২২৪, সিলেটে ১৫৮, বরিশালে ১৩৮, খুলনায় ৭৩, ময়মনসিংহে ৪৯, রংপুরে ৩৩ এবং রাজশাহীতে ২৫ জন।
এ নিয়ে দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৭৩ হাজার ২৪ জনে। তাঁদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১ লাখ ৬৭ হাজার ৭৫৬ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, এখন পর্যন্ত হামের উপসর্গ দেখা দেওয়া রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৯৫ হাজার ১৯৭। এর মধ্যে পরীক্ষায় ২১ হাজার ৬৬৬ জনের শরীরে হাম নিশ্চিত হয়েছে।
গত ১৫ মার্চ থেকে হাম ও এর উপসর্গে আক্রান্ত এবং মৃত্যুর হিসাব রাখছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
তবে হাসপাতালে আসা সব রোগীর হাম পরীক্ষা করা হয় না। একইভাবে হাসপাতালের বাইরে থাকা আক্রান্তদের তথ্যও পুরোপুরি নথিভুক্ত হয় না। ফলে পরীক্ষায় নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা প্রকৃত সংক্রমণের পূর্ণ চিত্র তুলে ধরে না।