সৌদি আরবের তাবুক শহরের প্রিন্স সুলতান বিন আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে ফ্লাইদুবাইয়ের উড়োজাহাজ। ছবি: বাংলাবাজার ক্রিয়েটিভ
প্রিন্ট: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৪ এএম
সৌদি আরবের তাবুক শহরের প্রিন্স সুলতান বিন আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে ফ্লাইদুবাইয়ের উড়োজাহাজ। ছবি: বাংলাবাজার ক্রিয়েটিভ
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে জড়াতে চায়, তেহরান অনেকদিন ধরেই এমন অভিযোগ করে আসছে। তবে সম্প্রতি ফ্লাইদুবাই উড়োজাহাজের ঘটনার পর সেই দাবি আরও জোরালো হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম প্রেস টিভি দাবি করেছে, ইরানের সঙ্গে নতুন করে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে জড়াতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু একটি আমিরাতি উড়োজাহাজকে ঘিরে কথিত ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ ছিনতাই অভিযানের পরিকল্পনা করেছিলেন।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ‘অবগত আঞ্চলিক সূত্রের’ বরাত দেওয়া হয়েছে। সূত্রটির দাবি, বুধবার দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি ফ্লাইটে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি ওই কথিত পরিকল্পনার অংশ ছিল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্লাইটে ঘটনার তিন দিন আগে নেতানিয়াহু গোপনে সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করেন। ওই সফরেই কথিত অভিযানের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে।
সূত্রটির ভাষ্য, নেতানিয়াহুর সঙ্গে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তা ছিলেন। কয়েকটি আরব দেশের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও এমন একটি অভিযান নিয়ে আলোচনা হয়, যার দায় পরে ইরানের ওপর চাপানো যেতে পারে। এমনটাই দাবি প্রেস টিভির।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই কথিত পরিকল্পনার উদ্দেশ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলা।
একই সূত্র নেতানিয়াহুর অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অবস্থার সঙ্গেও এই অভিযোগের যোগসূত্র টেনেছে। দাবি করা হয়েছে, আসন্ন পার্লামেন্ট নির্বাচনে নিজের জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী উদ্বিগ্ন ছিলেন।
তবে প্রেস টিভি তাদের সূত্রের পরিচয় প্রকাশ করেনি এবং অভিযোগগুলোর পক্ষে কোনো প্রমাণও উপস্থাপন করেনি।
এ অভিযোগের বিষয়ে ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত বা যুক্তরাষ্ট্র তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।
এই দাবি সামনে এলো ফ্লাইদুবাইয়ের ফ্লাইট এফজেড১০৭৩-এ ঘটনার এক দিন পর।
দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ওই ফ্লাইটে ১৭৪ যাত্রী ছিলেন। পরে উড়োজাহাজটি সৌদি আরবের তাবুক শহরের প্রিন্স সুলতান বিন আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে।
ফ্লাইদুবাই বুধবার এক বিবৃতিতে জানায়, “ফ্লাইট ডেকে একটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে” এবং উড়োজাহাজে থাকা ক্রুরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পর সেটিকে নিরাপদে সৌদি আরবে ঘুরিয়ে নেওয়া হয়।
সৌদি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, ক্যাপ্টেন ও ফার্স্ট অফিসার দুজনই আহত হন। তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে সব যাত্রী ও ক্রু নিরাপদ ছিলেন।
এরপর সৌদি আরবের ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্ট সেফটি সেন্টার ঘটনাটির তদন্ত শুরু করে।
পরে ফ্লাইদুবাই জানায়, তদন্ত চলাকালে ইসরায়েলগামী এবং ইসরায়েল থেকে আসা তাদের ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, এই পদক্ষেপ তদন্তকারীদের “ঘটনাটির সব তথ্য ও প্রেক্ষাপট নির্ধারণের” সুযোগ দেবে।
ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রকে জড়াতে চায়, তেহরান অনেকদিন ধরেই এমন অভিযোগ করে আসছে। তবে সম্প্রতি ফ্লাইদুবাই উড়োজাহাজের ঘটনার পর সেই দাবি আরও জোরালো হয়েছে।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম প্রেস টিভি দাবি করেছে, ইরানের সঙ্গে নতুন করে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রকে জড়াতে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু একটি আমিরাতি উড়োজাহাজকে ঘিরে কথিত ‘ফলস ফ্ল্যাগ’ ছিনতাই অভিযানের পরিকল্পনা করেছিলেন।
বৃহস্পতিবার প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ‘অবগত আঞ্চলিক সূত্রের’ বরাত দেওয়া হয়েছে। সূত্রটির দাবি, বুধবার দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি ফ্লাইটে ঘটে যাওয়া ঘটনাটি ওই কথিত পরিকল্পনার অংশ ছিল।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফ্লাইটে ঘটনার তিন দিন আগে নেতানিয়াহু গোপনে সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করেন। ওই সফরেই কথিত অভিযানের পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বলে দাবি করা হয়েছে।
সূত্রটির ভাষ্য, নেতানিয়াহুর সঙ্গে কয়েকজন জ্যেষ্ঠ সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তা ছিলেন। কয়েকটি আরব দেশের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও এমন একটি অভিযান নিয়ে আলোচনা হয়, যার দায় পরে ইরানের ওপর চাপানো যেতে পারে। এমনটাই দাবি প্রেস টিভির।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, এই কথিত পরিকল্পনার উদ্দেশ্য ছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন যুদ্ধে জড়িয়ে ফেলা।
একই সূত্র নেতানিয়াহুর অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অবস্থার সঙ্গেও এই অভিযোগের যোগসূত্র টেনেছে। দাবি করা হয়েছে, আসন্ন পার্লামেন্ট নির্বাচনে নিজের জোটের ভবিষ্যৎ নিয়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী উদ্বিগ্ন ছিলেন।
তবে প্রেস টিভি তাদের সূত্রের পরিচয় প্রকাশ করেনি এবং অভিযোগগুলোর পক্ষে কোনো প্রমাণও উপস্থাপন করেনি।
এ অভিযোগের বিষয়ে ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত বা যুক্তরাষ্ট্র তাৎক্ষণিক কোনো মন্তব্য করেনি।
এই দাবি সামনে এলো ফ্লাইদুবাইয়ের ফ্লাইট এফজেড১০৭৩-এ ঘটনার এক দিন পর।
দুবাই থেকে তেল আবিবগামী ওই ফ্লাইটে ১৭৪ যাত্রী ছিলেন। পরে উড়োজাহাজটি সৌদি আরবের তাবুক শহরের প্রিন্স সুলতান বিন আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে জরুরি অবতরণ করে।
ফ্লাইদুবাই বুধবার এক বিবৃতিতে জানায়, “ফ্লাইট ডেকে একটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে” এবং উড়োজাহাজে থাকা ক্রুরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার পর সেটিকে নিরাপদে সৌদি আরবে ঘুরিয়ে নেওয়া হয়।
সৌদি বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, ক্যাপ্টেন ও ফার্স্ট অফিসার দুজনই আহত হন। তাদের হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে সব যাত্রী ও ক্রু নিরাপদ ছিলেন।
এরপর সৌদি আরবের ন্যাশনাল ট্রান্সপোর্ট সেফটি সেন্টার ঘটনাটির তদন্ত শুরু করে।
পরে ফ্লাইদুবাই জানায়, তদন্ত চলাকালে ইসরায়েলগামী এবং ইসরায়েল থেকে আসা তাদের ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত থাকবে। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, এই পদক্ষেপ তদন্তকারীদের “ঘটনাটির সব তথ্য ও প্রেক্ষাপট নির্ধারণের” সুযোগ দেবে।