কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কয়েক দিনের ব্যবধানে এটি আরেকটি প্রাণঘাতী হামলা। এর আগে বৃহস্পতিবার একই বিমানবন্দরে হামলায় একজন পাইলটসহ তিন সৌদি নাগরিক নিহত হন। ছবি: ব্লুমবার্গ
প্রিন্ট: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৪ এএম
কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কয়েক দিনের ব্যবধানে এটি আরেকটি প্রাণঘাতী হামলা। এর আগে বৃহস্পতিবার একই বিমানবন্দরে হামলায় একজন পাইলটসহ তিন সৌদি নাগরিক নিহত হন। ছবি: ব্লুমবার্গ
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভয়াবহ হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৩০৯ জন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে সৌদি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।
রবিবার ভোরে দেওয়া এক বিবৃতিতে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানায়, শনিবারের হামলায় নিহতদের মধ্যে চারজন সৌদি নাগরিক। এছাড়া দুই বাংলাদেশি, যুক্তরাষ্ট্রের একজন, একজন মিশরীয়, একজন জর্ডানি, একজন সিরীয়, একজন ফিলিস্তিনি ও একজন সুদানি নাগরিক রয়েছেন।
হামলায় আহত ৩০৯ জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। বিমানবন্দরের বিভিন্ন স্থাপনা ও সম্পদেরও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে।
হামলার পর কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। বিমানবন্দরে নামার কথা থাকা অনেক ফ্লাইট অন্যত্র ঘুরিয়ে দেওয়া হয় অথবা বাতিল করা হয়। যাত্রীদের বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে নিজ নিজ এয়ারলাইনের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়।
ইয়েমেনে যুদ্ধরত সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট হামলার জন্য ইরান-সমর্থিত হুথিদের দায়ী করেছে। জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালকি এটিকে বেসামরিক স্থাপনার ওপর হামলা হিসেবে উল্লেখ করে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তবে সর্বশেষ এই হামলার দায় হুথিরা তাৎক্ষণিকভাবে স্বীকার করেনি।
একই দিনে সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছেও একটি প্রজেক্টাইল আঘাত হানার তথ্য নিশ্চিত করেন আল-মালকি। ওই ঘটনায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি।
কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কয়েক দিনের ব্যবধানে এটি আরেকটি প্রাণঘাতী হামলা। এর আগে বৃহস্পতিবার একই বিমানবন্দরে হামলায় একজন পাইলটসহ তিন সৌদি নাগরিক নিহত হন। তার আগের দিনও সেখানে হামলায় একজন সুদানি নাগরিক নিহত হয়।
সাম্প্রতিক হামলাগুলোর কারণে সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল নিয়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ বেড়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন সৌদি আরবের কয়েকটি গন্তব্যে ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত বা সীমিত করেছে।
এদিকে হুথিরা বিমান সংস্থা ও যাত্রীদের সৌদি আরবের বিমানবন্দর ব্যবহার না করার নতুন সতর্কবার্তা দিয়েছে। এর আগে তারা মক্কা ও মদিনা ছাড়া সৌদি আকাশসীমায় চলাচলকারী উড়োজাহাজ নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল।
হামলার নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল অবকাঠামোয় হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।
ঘটনার পর হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র অংশ নেবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন বিষয়টি বিবেচনা করছে এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
হামলার পর রিয়াদে থাকা যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড ও কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের দূতাবাস সৌদি আরবে অবস্থানরত নিজেদের নাগরিকদের সতর্ক থাকতে বলেছে।
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী ও সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি বাহিনীর মধ্যে নতুন করে সংঘাত তীব্র হওয়ার মধ্যে সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও অন্যান্য অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা বেড়েছে। কিং খালিদ বিমানবন্দরের সর্বশেষ হামলা সেই সংঘাতকে আরও গুরুতর পর্যায়ে নিয়ে গেছে।
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভয়াবহ হামলায় দুই বাংলাদেশিসহ অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ৩০৯ জন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে সৌদি বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ।
রবিবার ভোরে দেওয়া এক বিবৃতিতে সৌদি কর্তৃপক্ষ জানায়, শনিবারের হামলায় নিহতদের মধ্যে চারজন সৌদি নাগরিক। এছাড়া দুই বাংলাদেশি, যুক্তরাষ্ট্রের একজন, একজন মিশরীয়, একজন জর্ডানি, একজন সিরীয়, একজন ফিলিস্তিনি ও একজন সুদানি নাগরিক রয়েছেন।
হামলায় আহত ৩০৯ জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাদের কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর। বিমানবন্দরের বিভিন্ন স্থাপনা ও সম্পদেরও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণের কাজ চলছে।
হামলার পর কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কার্যক্রম সাময়িকভাবে স্থগিত করা হয়। বিমানবন্দরে নামার কথা থাকা অনেক ফ্লাইট অন্যত্র ঘুরিয়ে দেওয়া হয় অথবা বাতিল করা হয়। যাত্রীদের বিমানবন্দরে যাওয়ার আগে নিজ নিজ এয়ারলাইনের সঙ্গে যোগাযোগের পরামর্শ দেওয়া হয়।
ইয়েমেনে যুদ্ধরত সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট হামলার জন্য ইরান-সমর্থিত হুথিদের দায়ী করেছে। জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালকি এটিকে বেসামরিক স্থাপনার ওপর হামলা হিসেবে উল্লেখ করে কঠোর জবাব দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। তবে সর্বশেষ এই হামলার দায় হুথিরা তাৎক্ষণিকভাবে স্বীকার করেনি।
একই দিনে সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলীয় দাম্মামের কিং ফাহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছেও একটি প্রজেক্টাইল আঘাত হানার তথ্য নিশ্চিত করেন আল-মালকি। ওই ঘটনায় হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তাৎক্ষণিকভাবে জানানো হয়নি।
কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কয়েক দিনের ব্যবধানে এটি আরেকটি প্রাণঘাতী হামলা। এর আগে বৃহস্পতিবার একই বিমানবন্দরে হামলায় একজন পাইলটসহ তিন সৌদি নাগরিক নিহত হন। তার আগের দিনও সেখানে হামলায় একজন সুদানি নাগরিক নিহত হয়।
সাম্প্রতিক হামলাগুলোর কারণে সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল নিয়ে নিরাপত্তা উদ্বেগ বেড়েছে। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন সৌদি আরবের কয়েকটি গন্তব্যে ফ্লাইট সাময়িকভাবে স্থগিত বা সীমিত করেছে।
এদিকে হুথিরা বিমান সংস্থা ও যাত্রীদের সৌদি আরবের বিমানবন্দর ব্যবহার না করার নতুন সতর্কবার্তা দিয়েছে। এর আগে তারা মক্কা ও মদিনা ছাড়া সৌদি আকাশসীমায় চলাচলকারী উড়োজাহাজ নিয়ে হুঁশিয়ারি দিয়েছিল।
হামলার নিন্দা জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও সৌদি আরবের বেসামরিক বিমান চলাচল অবকাঠামোয় হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন।
ঘটনার পর হোয়াইট হাউসের বাইরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হুথিদের বিরুদ্ধে সৌদি আরবের সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র অংশ নেবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ওয়াশিংটন বিষয়টি বিবেচনা করছে এবং দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে।
হামলার পর রিয়াদে থাকা যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, আয়ারল্যান্ড ও কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের দূতাবাস সৌদি আরবে অবস্থানরত নিজেদের নাগরিকদের সতর্ক থাকতে বলেছে।
ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহী ও সৌদি-সমর্থিত ইয়েমেনি বাহিনীর মধ্যে নতুন করে সংঘাত তীব্র হওয়ার মধ্যে সৌদি আরবের বিমানবন্দর ও অন্যান্য অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা বেড়েছে। কিং খালিদ বিমানবন্দরের সর্বশেষ হামলা সেই সংঘাতকে আরও গুরুতর পর্যায়ে নিয়ে গেছে।