প্রিন্ট: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৪ এএম
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় পরিবহন ব্যয় বেড়েছে; এর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে চালের পাইকারি বাজারে। ছবি: বাংলাবাজার ক্রিয়েটিভ
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে চালের পাইকারি বাজারে। পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় ধরনভেদে ৫০ কেজির প্রতি বস্তা চালের দাম ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
তবে খুচরা বাজারে এখনো বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি দেখা যায়নি। অনেক ব্যবসায়ীর কাছে পুরনো দরে কেনা ২০ দিন থেকে এক মাসের চাল মজুত থাকায় তাঁরা আগের দামেই বিক্রি করছেন। নতুন দরের চালের সঙ্গে পুরনো মজুতের চাল বিক্রি করতে গিয়ে কেউ কেউ মুনাফাও কমিয়ে দিয়েছেন।
গত ২০ সেপ্টেম্বর জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ানো হয়। নতুন দরে ডিজেল ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৬০ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছে।
জ্বালানির দাম বাড়ানোর ১১ দিনের মাথায় রাজধানীর বাবুবাজার, যাত্রাবাড়ী, শনির আখড়া ও মহাখালীর বাজারে নতুন দরে কেনা চাল পৌঁছাতে শুরু করেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাড়তি পরিবহন ব্যয় এখন পাইকারি দামে যোগ হচ্ছে।
যাত্রাবাড়ীর একটি চালের আড়তে প্রায় ২০ দিন আগে আটাশ চালের ৫০ কেজির বস্তা ২ হাজার ৫০ থেকে ২ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হতো। এখন তা ২ হাজার ১৫০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সেই হিসাবে পাইকারি পর্যায়ে কেজিপ্রতি মোটা চালের দাম বেড়েছে প্রায় ২ থেকে ৩ টাকা।
বাজারে আটাশ, নাজিরশাইল, পাইজামসহ বিভিন্ন জাতের সিদ্ধ চাল বিক্রি হয়। বিভিন্ন মিল ‘মিনিকেট’ নামেও সরু ও চকচকে চাল সরবরাহ করে থাকে।
খুচরা পর্যায়ে আটাশ চাল কেজিপ্রতি ৫২ থেকে ৫৫ টাকা এবং বিভিন্ন ধরনের চিকন চাল ৬৫ থেকে ৭২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাটারিভোগ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৯০ টাকা কেজি। প্যাকেটজাত চিকন চালের পাঁচ কেজির প্যাকেটে কেজিপ্রতি দাম পড়ছে ৯৫ থেকে ১০৫ টাকা।
ব্যবসায়ীদের হিসাবে, পাইকারিতে আটাশ চালের বস্তায় ১০০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। চিকন চালের কোনো কোনো বস্তায় দাম বেড়েছে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা।
শনির আখড়ার ব্যবসায়ীরা জানান, নতুন দরে চাল কেনার পর তাঁদের কেজিতে প্রায় তিন টাকা অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে। তারপরও পুরনো মজুত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অনেকেই খুচরা দাম বাড়াচ্ছেন না। এতে আগের তুলনায় তাঁদের মুনাফা কমেছে।
মহাখালীর কিছু ব্যবসায়ীর কাছেও আরও ১০ থেকে ১৫ দিন বিক্রির মতো পুরনো চাল রয়েছে। ফলে নতুন চাল না কেনা পর্যন্ত তাঁরা দাম বাড়ানোর প্রয়োজন দেখছেন না।
বাবুবাজারের ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, চালের নতুন দর এখনো পুরোপুরি স্থির হয়নি। গাড়িভাড়া ও অন্যান্য খরচ বিবেচনায় নিয়ে ব্যবসায়ীভেদে বস্তাপ্রতি ৫০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি নেওয়া হচ্ছে। বাজার স্থিতিশীল হতে আরও কিছু সময় লাগতে পারে।
যাত্রাবাড়ীর পাইকারি বাজারে মিনিকেটের ৫০ কেজির বস্তা ১৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিভিন্ন মানের আটাশ চালের বস্তার দামও ২ হাজার ৫০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকার মধ্যে রয়েছে।
বাবুবাজারের একটি আড়তে একটি কোম্পানির মিনিকেট চালের বস্তা ৩ হাজার ৩৫০ টাকা এবং কাটারিভোগ ৪ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ওই মিনিকেট চালের বস্তায় ১৫০ টাকা বেড়েছে।
একই বাজারে মাঝারি মানের মিনিকেটের বস্তা ২ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ২ হাজার ৫০০ টাকা। অন্য একটি কোম্পানির আটাশ চাল বস্তাপ্রতি ১৫০ টাকা বেড়ে ২ হাজার ৪০০ টাকায় উঠেছে।
তবে করপোরেট প্রতিষ্ঠানের দুই ও পাঁচ কেজির প্যাকেটজাত চালের দামে এখনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি। বাজারে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পাঁচ কেজির চালের প্যাকেট ৪৮০ থেকে ৫২৫ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে, দেশে বছরে চালের চাহিদা প্রায় ৩ কোটি ৭০ লাখ থেকে ৩ কোটি ৯০ লাখ টন।
ঢাকার খুচরা বাজারে বৃহস্পতিবার নাজিরশাইল ও মিনিকেট চাল কেজিপ্রতি ৭২ থেকে ৮৫ টাকার মধ্যে ছিল। এক মাস আগে এই দর ছিল ৭০ থেকে ৮৫ টাকা। গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর একই ধরনের চাল ৭৫ থেকে ৮৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছিল।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, পুরনো মজুত শেষ হয়ে নতুন দরের চাল পুরোপুরি খুচরা বাজারে পৌঁছালে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব আরও স্পষ্ট হতে পারে। তবে বাজারে প্রতিযোগিতার কারণে কতটা দাম বাড়বে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।
জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রভাব পড়তে শুরু করেছে চালের পাইকারি বাজারে। পরিবহন খরচ বেড়ে যাওয়ায় ধরনভেদে ৫০ কেজির প্রতি বস্তা চালের দাম ১০০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
তবে খুচরা বাজারে এখনো বড় ধরনের মূল্যবৃদ্ধি দেখা যায়নি। অনেক ব্যবসায়ীর কাছে পুরনো দরে কেনা ২০ দিন থেকে এক মাসের চাল মজুত থাকায় তাঁরা আগের দামেই বিক্রি করছেন। নতুন দরের চালের সঙ্গে পুরনো মজুতের চাল বিক্রি করতে গিয়ে কেউ কেউ মুনাফাও কমিয়ে দিয়েছেন।
গত ২০ সেপ্টেম্বর জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ানো হয়। নতুন দরে ডিজেল ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৬৫ টাকা এবং পেট্রোল ১৬০ টাকা লিটারে বিক্রি হচ্ছে।
জ্বালানির দাম বাড়ানোর ১১ দিনের মাথায় রাজধানীর বাবুবাজার, যাত্রাবাড়ী, শনির আখড়া ও মহাখালীর বাজারে নতুন দরে কেনা চাল পৌঁছাতে শুরু করেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাড়তি পরিবহন ব্যয় এখন পাইকারি দামে যোগ হচ্ছে।
যাত্রাবাড়ীর একটি চালের আড়তে প্রায় ২০ দিন আগে আটাশ চালের ৫০ কেজির বস্তা ২ হাজার ৫০ থেকে ২ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হতো। এখন তা ২ হাজার ১৫০ থেকে ২ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সেই হিসাবে পাইকারি পর্যায়ে কেজিপ্রতি মোটা চালের দাম বেড়েছে প্রায় ২ থেকে ৩ টাকা।
বাজারে আটাশ, নাজিরশাইল, পাইজামসহ বিভিন্ন জাতের সিদ্ধ চাল বিক্রি হয়। বিভিন্ন মিল ‘মিনিকেট’ নামেও সরু ও চকচকে চাল সরবরাহ করে থাকে।
খুচরা পর্যায়ে আটাশ চাল কেজিপ্রতি ৫২ থেকে ৫৫ টাকা এবং বিভিন্ন ধরনের চিকন চাল ৬৫ থেকে ৭২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাটারিভোগ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৯০ টাকা কেজি। প্যাকেটজাত চিকন চালের পাঁচ কেজির প্যাকেটে কেজিপ্রতি দাম পড়ছে ৯৫ থেকে ১০৫ টাকা।
ব্যবসায়ীদের হিসাবে, পাইকারিতে আটাশ চালের বস্তায় ১০০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। চিকন চালের কোনো কোনো বস্তায় দাম বেড়েছে সর্বোচ্চ ২০০ টাকা।
শনির আখড়ার ব্যবসায়ীরা জানান, নতুন দরে চাল কেনার পর তাঁদের কেজিতে প্রায় তিন টাকা অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে। তারপরও পুরনো মজুত শেষ না হওয়া পর্যন্ত অনেকেই খুচরা দাম বাড়াচ্ছেন না। এতে আগের তুলনায় তাঁদের মুনাফা কমেছে।
মহাখালীর কিছু ব্যবসায়ীর কাছেও আরও ১০ থেকে ১৫ দিন বিক্রির মতো পুরনো চাল রয়েছে। ফলে নতুন চাল না কেনা পর্যন্ত তাঁরা দাম বাড়ানোর প্রয়োজন দেখছেন না।
বাবুবাজারের ব্যবসায়ীদের ভাষ্য, চালের নতুন দর এখনো পুরোপুরি স্থির হয়নি। গাড়িভাড়া ও অন্যান্য খরচ বিবেচনায় নিয়ে ব্যবসায়ীভেদে বস্তাপ্রতি ৫০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি নেওয়া হচ্ছে। বাজার স্থিতিশীল হতে আরও কিছু সময় লাগতে পারে।
যাত্রাবাড়ীর পাইকারি বাজারে মিনিকেটের ৫০ কেজির বস্তা ১৫০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিভিন্ন মানের আটাশ চালের বস্তার দামও ২ হাজার ৫০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকার মধ্যে রয়েছে।
বাবুবাজারের একটি আড়তে একটি কোম্পানির মিনিকেট চালের বস্তা ৩ হাজার ৩৫০ টাকা এবং কাটারিভোগ ৪ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে ওই মিনিকেট চালের বস্তায় ১৫০ টাকা বেড়েছে।
একই বাজারে মাঝারি মানের মিনিকেটের বস্তা ২ হাজার ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ২ হাজার ৫০০ টাকা। অন্য একটি কোম্পানির আটাশ চাল বস্তাপ্রতি ১৫০ টাকা বেড়ে ২ হাজার ৪০০ টাকায় উঠেছে।
তবে করপোরেট প্রতিষ্ঠানের দুই ও পাঁচ কেজির প্যাকেটজাত চালের দামে এখনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয়নি। বাজারে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পাঁচ কেজির চালের প্যাকেট ৪৮০ থেকে ৫২৫ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাবে, দেশে বছরে চালের চাহিদা প্রায় ৩ কোটি ৭০ লাখ থেকে ৩ কোটি ৯০ লাখ টন।
ঢাকার খুচরা বাজারে বৃহস্পতিবার নাজিরশাইল ও মিনিকেট চাল কেজিপ্রতি ৭২ থেকে ৮৫ টাকার মধ্যে ছিল। এক মাস আগে এই দর ছিল ৭০ থেকে ৮৫ টাকা। গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর একই ধরনের চাল ৭৫ থেকে ৮৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছিল।
ব্যবসায়ীরা বলছেন, পুরনো মজুত শেষ হয়ে নতুন দরের চাল পুরোপুরি খুচরা বাজারে পৌঁছালে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব আরও স্পষ্ট হতে পারে। তবে বাজারে প্রতিযোগিতার কারণে কতটা দাম বাড়বে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।