নিউইয়র্কে ফরেন প্রেস সেন্টারে মার্কিন উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিথানি মরিসনের সঙ্গে সাংবাদিকেরা। এরপর আরেকটি ব্রিফিংয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা শেখ হাসিনা ইস্যুতে কথা বলেন। ছবি: সংগৃহীত
প্রিন্ট: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৪ এএম
নিউইয়র্কে ফরেন প্রেস সেন্টারে মার্কিন উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিথানি মরিসনের সঙ্গে সাংবাদিকেরা। এরপর আরেকটি ব্রিফিংয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা শেখ হাসিনা ইস্যুতে কথা বলেন। ছবি: সংগৃহীত
মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারত নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে বলে আশা করছে যুক্তরাষ্ট্র।
শেখ হাসিনার সঙ্গে কী করা উচিত, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নির্দিষ্ট অবস্থান নেই বলে জানিয়েছে দেশটি। নিউইয়র্কে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থান তুলে ধরতে গিয়ে এ কথা বলেন।
বুধবার নিউইয়র্ক ফরেন প্রেস সেন্টারে ‘একটি স্থিতিশীল, সমৃদ্ধ ও সার্বভৌম দক্ষিণ এশিয়ার সমর্থনে মার্কিন নীতি’ শীর্ষক এক অন-ব্যাকগ্রাউন্ড ব্রিফিংয়ে বিষয়টি উঠে আসে। ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার সাংবাদিকেরা অংশ নেন।
বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে আলোচনার প্রত্যাশা
শেখ হাসিনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান জানতে চাইলে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা বলেন, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান নেয়নি।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার বিষয়টি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বৈরিতার একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্র বুঝতে পারছে। তাই দুই দেশ নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে একটি সমাধানে পৌঁছাবে বলে ওয়াশিংটন আশা করছে।
শেখ হাসিনার সঙ্গে কী হওয়া উচিত, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনো কোনো নির্দিষ্ট অবস্থান জানায়নি বলেও উল্লেখ করেন ওই কর্মকর্তা।
ভারতে অবস্থান করছেন শেখ হাসিনা
২০২৪ সালের আন্দোলনের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে ভারতে অবস্থান করছেন শেখ হাসিনা। গত নভেম্বরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড দেয়।
শেখ হাসিনার অবস্থান নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দুই দেশের আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছানোর প্রত্যাশার কথা জানানো হলো।
আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা নিয়েও প্রশ্ন
ব্রিফিংয়ে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। জবাবে মার্কিন কর্মকর্তা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য না করার অবস্থান জানান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে এবং বিএনপির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক খুবই ভালো। নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে চায় ওয়াশিংটন।
বাংলাদেশকে আরও শক্তিশালী, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ করার চলমান প্রচেষ্টার পাশে যুক্তরাষ্ট্র থাকবে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য করা সমীচীন নয় বলে উল্লেখ করেন মার্কিন কর্মকর্তা।
দক্ষিণ এশিয়া নিয়ে মার্কিন নীতি
ব্রিফিংয়ের আগে নিউইয়র্ক ফরেন প্রেস সেন্টারে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিথানি মরিসন দক্ষিণ এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি ও ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির আলোকে বক্তব্য দেন।
পরে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন। ওই ব্রিফিংয়েই বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের ক্ষেত্রে শেখ হাসিনার বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশা তুলে ধরা হয়।
মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারত নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে বলে আশা করছে যুক্তরাষ্ট্র।
শেখ হাসিনার সঙ্গে কী করা উচিত, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নির্দিষ্ট অবস্থান নেই বলে জানিয়েছে দেশটি। নিউইয়র্কে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থান তুলে ধরতে গিয়ে এ কথা বলেন।
বুধবার নিউইয়র্ক ফরেন প্রেস সেন্টারে ‘একটি স্থিতিশীল, সমৃদ্ধ ও সার্বভৌম দক্ষিণ এশিয়ার সমর্থনে মার্কিন নীতি’ শীর্ষক এক অন-ব্যাকগ্রাউন্ড ব্রিফিংয়ে বিষয়টি উঠে আসে। ব্রিফিংয়ে বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও শ্রীলঙ্কার সাংবাদিকেরা অংশ নেন।
বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে আলোচনার প্রত্যাশা
শেখ হাসিনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান জানতে চাইলে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা বলেন, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান নেয়নি।
তিনি বলেন, শেখ হাসিনার বিষয়টি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বৈরিতার একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বলে যুক্তরাষ্ট্র বুঝতে পারছে। তাই দুই দেশ নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে একটি সমাধানে পৌঁছাবে বলে ওয়াশিংটন আশা করছে।
শেখ হাসিনার সঙ্গে কী হওয়া উচিত, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনো কোনো নির্দিষ্ট অবস্থান জানায়নি বলেও উল্লেখ করেন ওই কর্মকর্তা।
ভারতে অবস্থান করছেন শেখ হাসিনা
২০২৪ সালের আন্দোলনের মাধ্যমে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে ভারতে অবস্থান করছেন শেখ হাসিনা। গত নভেম্বরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মৃত্যুদণ্ড দেয়।
শেখ হাসিনার অবস্থান নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দুই দেশের আলোচনার মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছানোর প্রত্যাশার কথা জানানো হলো।
আওয়ামী লীগের নিষেধাজ্ঞা নিয়েও প্রশ্ন
ব্রিফিংয়ে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়েও প্রশ্ন করা হয়। জবাবে মার্কিন কর্মকর্তা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য না করার অবস্থান জানান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে এবং বিএনপির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক খুবই ভালো। নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে চায় ওয়াশিংটন।
বাংলাদেশকে আরও শক্তিশালী, নিরাপদ ও সমৃদ্ধ করার চলমান প্রচেষ্টার পাশে যুক্তরাষ্ট্র থাকবে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য করা সমীচীন নয় বলে উল্লেখ করেন মার্কিন কর্মকর্তা।
দক্ষিণ এশিয়া নিয়ে মার্কিন নীতি
ব্রিফিংয়ের আগে নিউইয়র্ক ফরেন প্রেস সেন্টারে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিথানি মরিসন দক্ষিণ এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি ও ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির আলোকে বক্তব্য দেন।
পরে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন। ওই ব্রিফিংয়েই বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্কের ক্ষেত্রে শেখ হাসিনার বিষয়টি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশা তুলে ধরা হয়।