প্রিন্ট: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫১ এএম
ফ্রান্সে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট ভবনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সোনালি রঙের সেই ভাস্কর্য। ছবি: ফেসবুক থেকে নেওয়া
ফ্রান্সের স্ট্রাসবার্গে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের একটি ভবনের ভেতরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে তৈরি সাড়ে আট ফুট উঁচু সোনালি ভাস্কর্য প্রদর্শন করা হচ্ছে। ‘অরেঞ্জ প্লেগ’ নামের এই শিল্পকর্মে ট্রাম্পকে নগ্ন অবস্থায় দেখানো হয়েছে।
ভাস্কর্যটিতে ট্রাম্পের এক হাতে গলফ ক্লাব এবং অন্য হাতে ন্যায়বিচারের পাল্লা রয়েছে। পাশে রাখা হয়েছে পৃথিবীর আদলে তৈরি একটি গলফ বল। এটি ‘কিং অব ইনজাস্টিস’ বা ‘অবিচারের রাজা’ নামেও পরিচিতি পেয়েছে।
শিল্পকর্মটিতে ট্রাম্পকে তুলনামূলক ছোট আকারের এক ব্যক্তির কাঁধে বসে থাকতে দেখা যায়। এমনভাবে দৃশ্যটি তৈরি করা হয়েছে, যেন ওই ব্যক্তি তাঁর ভার বহন করছেন।
ভাস্কর্যের বেদিতে একটি ব্যঙ্গাত্মক বক্তব্যও রাখা হয়েছে। এর মূল ভাবনা হলো একজন মানুষ অন্যের পিঠে বসে তাঁর ভারে তাকে বিপর্যস্ত করছেন, অথচ সাহায্যের কথা বললেও তাঁর পিঠ থেকে নামতে প্রস্তুত নন।
ইউরোপীয় পার্লামেন্টের দুটি ভবনের সংযোগস্থলের ব্যস্ত একটি জায়গায় শিল্পকর্মটি রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সেখানে এটি প্রদর্শনের কথা রয়েছে।
ভাস্কর্যটি তৈরি করেছেন ডেনমার্কের শিল্পী জেনস গালচিওট। তাঁর ভাষ্য, বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং জলবায়ু সংকট মোকাবিলার আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার ওপর ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে সমালোচনামূলক বার্তা দিতেই তিনি এই শিল্পকর্ম তৈরি করেছেন।
শিল্পীর এই বক্তব্য তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক মূল্যায়ন।
২৩ ক্যারেট সোনার পাত দিয়ে আবৃত ভাস্কর্যটির ধারণা নেওয়া হয়েছে হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসনের বিখ্যাত রূপকথা ‘দ্য এম্পেররস নিউ ক্লথস’ বা ‘সম্রাটের নতুন পোশাক’ থেকে।
ওই গল্পে একজন অহংকারী শাসক এমন পোশাক পরেছেন বলে বিশ্বাস করেন, যা বাস্তবে তাঁর শরীরে নেই। চারপাশে থাকা মানুষ ভয় ও চাটুকারিতার কারণে সত্যটি বলতে সাহস করেন না। শেষ পর্যন্ত একটি শিশু প্রকাশ্যে বলে দেয়, শাসক আসলে নগ্ন।
গালচিওট জানিয়েছেন, সেই গল্পের রাজনৈতিক ব্যঙ্গকেই আধুনিক প্রেক্ষাপটে তুলে ধরতে চেয়েছেন তিনি।
ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ও ডেনিশ রাজনীতিক পার ক্লসেনও শিল্পকর্মটির প্রদর্শনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। ট্রাম্পের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন নন বলেও জানিয়েছেন।
তবে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে ভাস্কর্যটি প্রদর্শনের বিষয়ে হোয়াইট হাউস থেকে তখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া আসেনি।
এটি অবশ্য ট্রাম্পকে নিয়ে তৈরি এই ভাস্কর্যের প্রথম প্রদর্শনী নয়। গত বছর ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ৩০-এ এটি প্রথম দেখানো হয়। পরে জার্মানির মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের সময়ও শিল্পকর্মটি প্রদর্শন করা হয়েছিল।
ফ্রান্সের স্ট্রাসবার্গে ইউরোপীয় পার্লামেন্টের একটি ভবনের ভেতরে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিয়ে তৈরি সাড়ে আট ফুট উঁচু সোনালি ভাস্কর্য প্রদর্শন করা হচ্ছে। ‘অরেঞ্জ প্লেগ’ নামের এই শিল্পকর্মে ট্রাম্পকে নগ্ন অবস্থায় দেখানো হয়েছে।
ভাস্কর্যটিতে ট্রাম্পের এক হাতে গলফ ক্লাব এবং অন্য হাতে ন্যায়বিচারের পাল্লা রয়েছে। পাশে রাখা হয়েছে পৃথিবীর আদলে তৈরি একটি গলফ বল। এটি ‘কিং অব ইনজাস্টিস’ বা ‘অবিচারের রাজা’ নামেও পরিচিতি পেয়েছে।
শিল্পকর্মটিতে ট্রাম্পকে তুলনামূলক ছোট আকারের এক ব্যক্তির কাঁধে বসে থাকতে দেখা যায়। এমনভাবে দৃশ্যটি তৈরি করা হয়েছে, যেন ওই ব্যক্তি তাঁর ভার বহন করছেন।
ভাস্কর্যের বেদিতে একটি ব্যঙ্গাত্মক বক্তব্যও রাখা হয়েছে। এর মূল ভাবনা হলো একজন মানুষ অন্যের পিঠে বসে তাঁর ভারে তাকে বিপর্যস্ত করছেন, অথচ সাহায্যের কথা বললেও তাঁর পিঠ থেকে নামতে প্রস্তুত নন।
ইউরোপীয় পার্লামেন্টের দুটি ভবনের সংযোগস্থলের ব্যস্ত একটি জায়গায় শিল্পকর্মটি রাখা হয়েছে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত সেখানে এটি প্রদর্শনের কথা রয়েছে।
ভাস্কর্যটি তৈরি করেছেন ডেনমার্কের শিল্পী জেনস গালচিওট। তাঁর ভাষ্য, বর্তমান বিশ্বব্যবস্থা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং জলবায়ু সংকট মোকাবিলার আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার ওপর ট্রাম্পের রাজনৈতিক প্রভাব নিয়ে সমালোচনামূলক বার্তা দিতেই তিনি এই শিল্পকর্ম তৈরি করেছেন।
শিল্পীর এই বক্তব্য তাঁর নিজস্ব রাজনৈতিক মূল্যায়ন।
২৩ ক্যারেট সোনার পাত দিয়ে আবৃত ভাস্কর্যটির ধারণা নেওয়া হয়েছে হ্যান্স ক্রিশ্চিয়ান অ্যান্ডারসনের বিখ্যাত রূপকথা ‘দ্য এম্পেররস নিউ ক্লথস’ বা ‘সম্রাটের নতুন পোশাক’ থেকে।
ওই গল্পে একজন অহংকারী শাসক এমন পোশাক পরেছেন বলে বিশ্বাস করেন, যা বাস্তবে তাঁর শরীরে নেই। চারপাশে থাকা মানুষ ভয় ও চাটুকারিতার কারণে সত্যটি বলতে সাহস করেন না। শেষ পর্যন্ত একটি শিশু প্রকাশ্যে বলে দেয়, শাসক আসলে নগ্ন।
গালচিওট জানিয়েছেন, সেই গল্পের রাজনৈতিক ব্যঙ্গকেই আধুনিক প্রেক্ষাপটে তুলে ধরতে চেয়েছেন তিনি।
ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সদস্য ও ডেনিশ রাজনীতিক পার ক্লসেনও শিল্পকর্মটির প্রদর্শনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। ট্রাম্পের সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া নিয়ে তিনি উদ্বিগ্ন নন বলেও জানিয়েছেন।
তবে ইউরোপীয় পার্লামেন্টে ভাস্কর্যটি প্রদর্শনের বিষয়ে হোয়াইট হাউস থেকে তখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া আসেনি।
এটি অবশ্য ট্রাম্পকে নিয়ে তৈরি এই ভাস্কর্যের প্রথম প্রদর্শনী নয়। গত বছর ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ৩০-এ এটি প্রথম দেখানো হয়। পরে জার্মানির মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলনের সময়ও শিল্পকর্মটি প্রদর্শন করা হয়েছিল।