প্রিন্ট: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৭ এএম
অভিজিৎ দিপকের আটকের পর ককরোচ জনতা পার্টির নেতৃত্বে এসেছেন অজিঙ্ক্য শিন্ডে। ছবি: বাংলাবাজার ক্রিয়েটিভ
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকেকে শনিবার দিল্লি বিমানবন্দরে আটক করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলটির শীর্ষ নেতৃত্বের আরও কয়েকজনও আটক হয়েছেন।
আর এই পরিস্থিতিতে দীপকের ঘনিষ্ঠ সহযোগী, মহারাষ্ট্রের অজিঙ্ক্য শিন্ডেকে অন্য নেতারা মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে সিজেপির চলমান বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেওয়ার।
সিজেপির এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করা একটি ভিডিওতে এই ঘোষণা দেন দিপকে।
তিনি বলেন, “আপনি যদি এই ভিডিওটি দেখেন, তার মানে আমি, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমাদের অনুপস্থিতিতে অজিঙ্ক্য এই বিক্ষোভ ও সিজেপি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেবে। দয়া করে তাকে অনুসরণ করুন।”
শিন্ডে সমর্থকদের জন্তর মন্তরের দিকে এগিয়ে যেতে এবং পুলিশ যেখানেই বাধা দিক, সেখানেই বিক্ষোভ শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “সরকার আমাদের ঐক্যে ভয় পেয়েছে। দয়া করে জন্তর মন্তরে আসুন। পুলিশ যদি আপনাদের থামায়, যে জায়গায় থামাবে সেটিকেই জন্তর মন্তরে পরিণত করুন।”
শনিবার সকালে মুম্বাই থেকে যে উড়োজাহাজে দিপকে, দাস ও রাঙ্কা এসেছিলেন। সেখান থেকেই তাদের আটক করা হয়। একই সময়ে বিক্ষোভকারীরা যাতে জন্তর মন্তরে পৌঁছাতে না পারেন, সে জন্য পুলিশও চেষ্টা চালাচ্ছিল।
কে এই অজিঙ্ক্য শিন্ডে
৩৫ বছর বয়সী অজিঙ্ক্য শিন্ডে মহারাষ্ট্রের কম্পিউটার সায়েন্সের একজন স্নাতক। তিনি পুনেতে একটি আন্তর্জাতিক আইটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। পরে চাকরি ছেড়ে আম আদমি পার্টিতে (আপ) পূর্ণকালীন কর্মী হিসেবে যোগ দেন।
বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তার বাবা-মা আলিবাগে কৃষিকাজ করতেন, পরে লাতুরে স্থায়ী হন। শিন্ডে বহু বছর ধরে দিপকের ঘনিষ্ঠ সহযোগী।
খবরে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে গোয়ায় তাদের প্রথম পরিচয় হয়। এরপর থেকে তারা একসঙ্গে কাজ করছেন। চাকরি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে শিন্ডে পিম্প্রি-চিঞ্চওয়াড়ে আম আদমি পার্টির আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
পরে চাকরি ছেড়ে তিনি পুরো এক বছর গোয়ার নির্বাচনী কার্যক্রমে কাজ করেন। তবে সেখানে আপকে কোনো আসন এনে দিতে পারেননি। এরপর তিনি আম আদমি পার্টির মহারাষ্ট্র টিমে চলে যান।
একাধিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেখানে তিনি সোশাল মিডিয়া সমন্বয়ক এবং দলের মহারাষ্ট্র যুব শাখার আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
গত আগস্টে দিপকে তাকে সিজেপির জাতীয় টিমে নিয়ে আসেন এবং জাতীয় সংগঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা হিসেবে দায়িত্ব দেন। তবে সিজেপির জাতীয় নির্বাহী কমিটিতে তার অন্তর্ভুক্তি বিতর্কমুক্ত ছিল না। তখন গুজরাটের দুই স্বেচ্ছাসেবক অভিযোগ করেছিলেন, দিপকে সিজেপিতে নিজের ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।
দলের সাংগঠনিক কাঠামোয় শিন্ডের অবস্থান দিপকে, রাঙ্কা ও দাসের ঠিক পরেই। চলতি বছরের জুলাইয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের সময় এই তিনজনই দলের প্রধান মুখ হিসেবে সামনে ছিলেন।
শিন্ডের জ্যেষ্ঠ অবস্থানের আরেকটি প্রমাণ হলো; শীর্ষ এই তিন নেতা আটক হওয়ার পর আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তাকেই বেছে নেওয়া হয়েছে।
ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকেকে শনিবার দিল্লি বিমানবন্দরে আটক করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলটির শীর্ষ নেতৃত্বের আরও কয়েকজনও আটক হয়েছেন।
আর এই পরিস্থিতিতে দীপকের ঘনিষ্ঠ সহযোগী, মহারাষ্ট্রের অজিঙ্ক্য শিন্ডেকে অন্য নেতারা মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে সিজেপির চলমান বিক্ষোভের নেতৃত্ব দেওয়ার।
সিজেপির এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করা একটি ভিডিওতে এই ঘোষণা দেন দিপকে।
তিনি বলেন, “আপনি যদি এই ভিডিওটি দেখেন, তার মানে আমি, সৌরভ দাস ও আশুতোষ রাঙ্কাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমাদের অনুপস্থিতিতে অজিঙ্ক্য এই বিক্ষোভ ও সিজেপি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেবে। দয়া করে তাকে অনুসরণ করুন।”
শিন্ডে সমর্থকদের জন্তর মন্তরের দিকে এগিয়ে যেতে এবং পুলিশ যেখানেই বাধা দিক, সেখানেই বিক্ষোভ শুরু করার আহ্বান জানিয়েছেন।
এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “সরকার আমাদের ঐক্যে ভয় পেয়েছে। দয়া করে জন্তর মন্তরে আসুন। পুলিশ যদি আপনাদের থামায়, যে জায়গায় থামাবে সেটিকেই জন্তর মন্তরে পরিণত করুন।”
শনিবার সকালে মুম্বাই থেকে যে উড়োজাহাজে দিপকে, দাস ও রাঙ্কা এসেছিলেন। সেখান থেকেই তাদের আটক করা হয়। একই সময়ে বিক্ষোভকারীরা যাতে জন্তর মন্তরে পৌঁছাতে না পারেন, সে জন্য পুলিশও চেষ্টা চালাচ্ছিল।
কে এই অজিঙ্ক্য শিন্ডে
৩৫ বছর বয়সী অজিঙ্ক্য শিন্ডে মহারাষ্ট্রের কম্পিউটার সায়েন্সের একজন স্নাতক। তিনি পুনেতে একটি আন্তর্জাতিক আইটি প্রতিষ্ঠানে কাজ করতেন। পরে চাকরি ছেড়ে আম আদমি পার্টিতে (আপ) পূর্ণকালীন কর্মী হিসেবে যোগ দেন।
বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তার বাবা-মা আলিবাগে কৃষিকাজ করতেন, পরে লাতুরে স্থায়ী হন। শিন্ডে বহু বছর ধরে দিপকের ঘনিষ্ঠ সহযোগী।
খবরে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালে গোয়ায় তাদের প্রথম পরিচয় হয়। এরপর থেকে তারা একসঙ্গে কাজ করছেন। চাকরি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে শিন্ডে পিম্প্রি-চিঞ্চওয়াড়ে আম আদমি পার্টির আহ্বায়কের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
পরে চাকরি ছেড়ে তিনি পুরো এক বছর গোয়ার নির্বাচনী কার্যক্রমে কাজ করেন। তবে সেখানে আপকে কোনো আসন এনে দিতে পারেননি। এরপর তিনি আম আদমি পার্টির মহারাষ্ট্র টিমে চলে যান।
একাধিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেখানে তিনি সোশাল মিডিয়া সমন্বয়ক এবং দলের মহারাষ্ট্র যুব শাখার আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
গত আগস্টে দিপকে তাকে সিজেপির জাতীয় টিমে নিয়ে আসেন এবং জাতীয় সংগঠনের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা হিসেবে দায়িত্ব দেন। তবে সিজেপির জাতীয় নির্বাহী কমিটিতে তার অন্তর্ভুক্তি বিতর্কমুক্ত ছিল না। তখন গুজরাটের দুই স্বেচ্ছাসেবক অভিযোগ করেছিলেন, দিপকে সিজেপিতে নিজের ঘনিষ্ঠ সহযোগীদের অগ্রাধিকার দিচ্ছেন।
দলের সাংগঠনিক কাঠামোয় শিন্ডের অবস্থান দিপকে, রাঙ্কা ও দাসের ঠিক পরেই। চলতি বছরের জুলাইয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের সময় এই তিনজনই দলের প্রধান মুখ হিসেবে সামনে ছিলেন।
শিন্ডের জ্যেষ্ঠ অবস্থানের আরেকটি প্রমাণ হলো; শীর্ষ এই তিন নেতা আটক হওয়ার পর আন্দোলনের নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তাকেই বেছে নেওয়া হয়েছে।